SkinCeuticals C E Ferulic (1 fl. oz.)

SkinCeuticals C E Ferulic (1 fl. oz.)
SkinCeuticals' C E Ferulic features a synergistic antioxidant combination of ferulic acid and pure vitamin C and E to enhance your skin's protection against environmental damage caused by free radicals. In addition to antioxidant protective benefits, this formula improves signs of aging and photodamage to reduce the appearance of lines and wrinkles while firming and brightening your complexion. Lastly, this powerful formula helps neutralize free radicals induced by UVA/UVB, infrared radiation (IRA) and ozone pollution (O3).

প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ

প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ
পরীক্ষা-২০১৮" এর প্রস্তুতির জন্য মধ্যযুগের সকল
Important প্রশ্ন :


>>>>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ:
✿ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ :
➺ বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগে অন্ধকার যুগ –
১২০১-১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ।
➺ অন্ধকার যুগের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম – রমাই
পন্ডিতের ‘শূন্যপুরাণ’, হলয়ূধ মিশ্রের ‘সেক
শুভোদয়া’।
➺ শূন্যপুরাণ
◆ রমাই পণ্ডিত রচিত ধর্মপূজার শাস্ত্রগ্রন্থ –
শূন্যপুরাণ।
◆ ‘শূণ্যপুরাণ’ হলো – গদ্য পদ্য মিশ্রিত চম্পুকাব্য।
◆ নরেন্দ্রনাথ বসুর তিনটি পুথির পাঠ সংগ্রহ করে
‘শূন্যপুরাণ’ নামকরণ করে গ্রন্থ প্রকাশ করেন –
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে।
◆ শূন্যপূরাণ কাব্যটি পূজা পদ্ধতির বর্ণনা রয়েছে –
শূন্যময় দেবতা ধর্মঠাকুরের।
◆ পণ্ডিত যোগেনন্দ্রনাথ রায় বিদ্যানিধির মতে,
‘শূণ্যপুরাণ’ এর রচনাকাল – ত্রয়োদশ থেকে অষ্টাদশ
শতাব্দীর মধ্যে।
◆ সুবুমার সেন মনে করেন ‘শূণ্যপুরাণ’ গ্রন্থটি রচিত
– ষোড়শ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে।
◆ শূন্যপুরাণ গ্রন্থটি বিভক্ত – ৫১ টি অধ্যায়ে।
◆ সুকুমার সেনের মতে, ‘শূন্যপুরাণ’ এ অন্তর্ভুক্ত
‘নিরঞ্জনের উষ্মা’ প্রকৃতপক্ষে – সহদেব চক্রবর্তীর
রচনা।
➺ সেক শুভোদয়া
◆ অশুদ্ধ বাংলা ও সংস্কৃত ভাষার মিশ্রণে রচিত
একটি গ্রন্থ – সেক শুভোদয়া
◆ গদ্য পদ্য মিলিয়ে গ্রন্থটিতে অধ্যায় অাছে – ২৫
টি।
◆ ১৩২০-২১ বঙ্গাব্দে মণীন্দ্রমোহন বসু গ্রন্থটির ১৩
টি অনুচ্ছেদ বঙ্গানুবাদ সহ প্রকাশ করেন – কায়স্থ
পত্রিকায়।
◆ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে গ্রন্থটি প্রথম মুদ্রিত হয় – সুকুমার
সেনের সম্পাদনায়।
✿ প্রাক-চৈতন্যযুগ ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
:
➺ প্রাক চৈতন্যযুগের ব্যপ্তি – ১২০১-১৫০০ খ্রিষ্টাব্দ।
➺ বড়ু চন্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের প্রথম কাব্য –
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
➺ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এই কাব্যের
রচনাকাল – ১৪০০ খ্রিষ্টাব্দ।
➺ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি –
কৃষ্ণ, রাধা, বড়াই।
➺ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বড়াই – রাধাকৃষ্ণের
প্রেমের দূতি।
➺ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি উদ্ধার করেন –
বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ। (১৯০৯ সালে)
➺ পশ্চিমবঙ্গের কাকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের
দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় নামক এক ব্রাহ্মণের
বাড়ির গোয়ালঘর থেকে – বসন্তরঞ্জন রায়
বিদ্বদ্বল্লভ এ কাব্যটি উদ্ধার করেন।
➺ এ কাব্যটি বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় ১৯১৬
সালে প্রকাশিত হয় – বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
থেকে।
➺ সর্বজন স্বীকৃত ও খাটি বাংলা ভাষায় রচিত
প্রথম কাব্যগ্রন্থ – শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
➺ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কে বলা হয় – শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ।
➺ ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ নামটি প্রদান করেন –
বসন্তরঞ্জন রায়।
➺ বসন্তরঞ্জন রায়ের উপাধি ছিল – বিদ্বদ্বল্লভ।
✿ বৈষ্ণব পদাবলী :
➺ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ
– বৈষ্ণব পদাবলী।
➺ এ অমর কবিতাবলী সৃষ্টি হয় – রাধাকৃষ্ণের
প্রেমলীলা অবলম্বনে।
➺ বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর অাদি রচয়িতা
– চণ্ডীমঙ্গল।
➺ বৈষ্ণব পদাবলী বৈষ্ণব সমাজে পরিচিত – মহাজন
পদাবলী নামে।
➺ বৈষ্ণব পদাবলীর মাহকবি বলা হয় – বিদ্যাপতি,
চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস, বলরাম দাস।
➺ বৈষ্ণব পদাবলির অধিকাংশ পদ রচিত – ব্রজবুলি
ভাষায়।
➺ ব্রজবুলি ভাষা হলো – একটি কৃত্রিম ভাষা।
✿ মঙ্গলকাব্য
➺ বংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির
ধর্ম বিষয়ক অখ্যান কাব্যহ হলো – মঙ্গলকাব্য।
➺ প্রকৃতপক্ষে মঙ্গলকাব্যকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ
করা যায় – পৌরণিক ও লৌকিক।
➺ মঙ্গলকাব্যের উপজীব্য বিষয় – দেবদেবীর
গুণগান।
➺ মধ্যযুগের অন্যতম সাহিত্য – মঙ্গলকাব্য।
➺ অাদি মঙ্গলকাব্য হিসেবে পরিচিত –
মনসামঙ্গল।
➺ একটি সম্পূর্ণ মঙ্গলকাব্যে সাধারণত – ৫ টি অংশ
থাকে।
➺ মঙ্গল কাব্যের অপ্রধান ধারা – ধর্মমঙ্গল কাব্য,
শিবমঙ্গল/
কালিকামঙ্গল।
➺ মনসামঙ্গল :
◆ বাংলা সাহিত্যে মঙ্গল কাব্যের প্রাচীনতম
ধারা – মনসামঙ্গল।
◆ মঙ্গলকাব্যের অাদি দত্ত – কানাহরি দত্ত।
◆ মনসামঙ্গলেরর একমাত্র পশ্চিমবঙ্গীয় কবির নাম
– কতকাদাস ক্ষেমানন্দ।
◆ বিপ্রদাস পিপিলাই রচিত কাব্যের নাম –
মনসাবিজয়।
◆ মনসা মঙ্গল রচিত – মনসা দেবীর কাহিনি নিয়ে
রচিত।
◆ সাপের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মনসার অপর নাম –
কেতকা ও পদ্মাবতী।
◆ মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম – পদ্মপুরাণ।
◆ মনসামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা – কানাহরি দত্ত,
নারায়ণদেব, বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, দ্বিজ
বংশীদাস, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ।
◆ মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র – চাঁদ
সওদাগর, বেহুলা, লোখিন্দর, মনসা।
➺ চণ্ডীমঙ্গল :
◆ চণ্ডীমঙ্গলের অাদি কবি – মানিক দত্ত।
◆ চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার কবি দ্বিজ মাধবকে বলা
হয় – ‘স্বভাব কবি’।
◆ চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান/
শ্রেষ্ঠী কবি – মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
◆ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি – কবিকঙ্কন।
◆ চণ্ডীমঙ্গল কাব্য রচিত – চণ্ডীদেবীর কাহিনি
অবলম্বনে।
◆ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীতে ‘কবিকঙ্কন’ উপাধি দেন –
জমিদার রঘুনাথ রায়।
◆ চন্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা – মানিক দত্ত,
দ্বিজ মাধব, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, দ্বিজরাম দেব,
মুক্তারাম সেন।
◆ চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র – কালকেতু,
ধনপতি, ভাড়ুদত্ত, মুরারী শীল।
◆ বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঠগ চরিত্র – ভাড়ুদত্ত।
➺ অন্নদামঙ্গল :
◆ দেবী অন্নদার বন্দনা অাছে – অন্নদামঙ্গল
কাব্যে।
◆ অন্নদামঙ্গল ধারার প্রধান কবি – ভারতচন্দ্র
রায়গুণাকর।
◆ বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি –
ভারতচন্দ্র।
◆ ভারচন্দ্রের উপাধি – রায়গুণাকর।
◆ মঙ্গলযুগের শেষ কবি – ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
◆ অন্নদামঙ্গল কাব্য বিভক্ত – তিন ভাগে।
◆ অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা – ভারতচন্দ্র
রায়গুণাকর।
◆ অন্নদামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র – ঈশ্বরী
পাটনী, হীরামালিনী।
◆ ‘অামার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ – ঈশ্বরী
পাটনী, অন্নদামঙ্গল।
◆ কড়িতে বাঘের দুধ মেলে।
◆ জন্মভূমি জননী স্বর্গের গরিয়সী।
◆ বড়র পিরীতি বালির বাঁধ।
◆ মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পতন।
◆ নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়।
➺ ধর্মমঙ্গল :
◆ ধর্মঠাকুরের মহত্ম্য প্রচারের জন্য সূত্রপাত
হয়েছে – ধর্মমঙ্গল কাব্যের।
◆ ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার প্রথম কবি – ময়ূর ভট্ট।
◆ ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার প্রধান কবি – রূপরাম
চক্রবর্তী ও ঘনরাম চক্রবর্তী।
◆ ধর্মমঙ্গল কাব্য দুটি পালায় বিভক্ত – রাজা
হরিশচন্দ্রের গল্প ও লাউসেনের গল্প।
➺ কলিকামঙ্গল:
◆ দেবী কালীর মহত্ম্য বর্ণনামূলক গ্রন্থ –
কলিকামঙ্গল।
◆ কলিকামঙ্গল ধারার অাদি কবি – কবি কঙ্ক।
◆ কলিকামঙ্গল নামক অভিহিত কাব্যধারাকে বলা
হয় – বিদ্যাসুন্দর।
◆ বিদ্যাসুন্দর কাব্যের অন্যতম কবি – রামপদ সেন,
সাবিরিদ সেন।
◆ কলিকামঙ্গলেরর বিশিষ্ট কবি – রামপ্রসাদ
সেন।
◆ রামপ্রসাদের কাব্যগ্রন্থের নাম – কবিরঞ্জন।
✿ জীবনী সাহিত্য :
➺ বাংলা সহিত্যে একটি পঙক্তি না যার নামে
একটি যুতের সুষ্টি হয়েছে – শ্রীচৈতন্যদেব।
➺ বাংলা সাহেত্যে চৈতন্যযুগ বলা হয় – ১৫০০-১৭০০
খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে।
➺ বাংলা ভাষায় প্রথম জীবনী সাহিত্য – চৈতন্য
জীবনী কাব্য।
➺ শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনী গ্রন্থকে বলা হয় –
কড়চা।
➺ শ্রীচৈতন্যদেবের প্রথম জীবনী কাব্য – বৃন্দাবন
দাস রচিত ‘শ্রীচৈতন্যভগবত’।
➺ বাংলায় চৈতন্যদেবের দ্বিতীয় জীবনীগ্রন্থ –
চৈতন্য মঙ্গল।
➺ বাংলাভাষায় অদ্বিতীয় ও সর্বাপেক্ষা ও
তথ্যবহুল চৈতন্যজীবনী – কৃষ্ণদাস কবিরাজের
‘চৈতন্যচরিতামৃত’।
➺ চৈতন্যদেবের উল্লেখযোগ্য জীবনী গ্রন্থ :
◆ শ্রীচৈতন্যভগবত – বৃন্দাবন দাস
◆ চৈতন্য মঙ্গল – লোচন দাস
◆ চৈতন্যচরিতামৃত – কৃষ্ণদাস কবিরাজ
◆ শ্রী শ্রী কৃষ্ণ চরিতামৃতম – মুরারিগুপ্ত
✿ মর্সিয়া সাহিত্য :
➺ মর্সিয়া শব্দের অর্থ – শোক প্রকাশ করা।
➺ দুজন উল্লেখযোগ্য মর্সিয়া সাহিত্য রচনাকারীর
নাম – দৌলত উজির বাহরাম খান ও শেখ ফয়জুল্লাহ।
➺ মর্সিয়া সাহিত্যের হিন্দু কবি – রাধারমণ গোপ।
➺ মর্সিয়া সাহিত্যের অাদি কবি শেখ ফয়জুল্লাহ
রচিত গ্রন্থ – জয়নবের চৌতিশা।
➺ জঙ্গনামা কাব্য রচনা করেছিলেন – দৌলত
উজির বাহরাম খান।
✿ নাথ সাহিত্য :
➺ মধ্যযুগে রচিত শিব উপাসক এক শ্রেণীর
ধর্মপ্রচারকারী সাহিত্য – নাথ সাহিত্য।
➺ মুসলমান হয়েও নাথ সাহিত্য রচনা করেন – শেখ
ফয়জুল্লাহ।
➺ নাথ সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য রচনা – গোরক্ষ
বিজয়।
➺ গোরক্ষ বিজয়ের রচয়িতা – শেখ ফয়জুল্লাহ।
➺ গোপীচাঁদ সন্ন্যাসের রচয়িতা – শুকুর মাহমুদ।
➺ যে হিন্দু ধর্মের মিশ্রণে নাথ ধর্মের উৎপত্তি –
বৌদ্ধধর্ম ও শৈবধর্ম।
✿ অনুবাদ সাহিত্য :
➺ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে কবিরা কাত
দিয়েছিলেন – অনুবাদ সাহিত্যে।
➺ মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য মূলত – ভাবানুবাদ।
➺ এ যুগের কবিগণ নিজের ভাষায় অনুবাদ করতেন –
পয়ার ছন্দে।
➺ পৃথিবীতে জাত মহাকাব্য – ৪ টি। যথা: রামায়ণ,
মহাভারত, ইলিয়াড ও ওডেসি।
➺ মহাভারত :
◆ মহাভারত রচিত হয় – সংস্কৃত ভাষায়
◆ মহাভারত যে কয় খন্ডে রচিত – ১৮ খন্ডে।
◆ মহাভারতের শ্লোক সংখ্যা – ৮৫০০০
◆ মহাভারত প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন – কবীন্দ্র
পরমেশ্বর।
◆ মহাভারতের সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয়
অনুবাদক – কাশীরাম দাস।
◆ কবি কাশিরাম দাস ছিলেন – দেব বংশের।
➺ রামায়ণ :
◆ রামায়ণ লিখেছেন – বাল্মীকি।
◆ বাল্মীকির মূল নাম – রত্নাকর।
◆ বাল্মীকি অর্থ – উইপোকা ঢিবি।
◆ রামায়ণের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ অনুবাদক – কৃত্তিবাস
ওঝা।
◆ রামায়ণের একমাত্র মহিলা কবি – চন্দ্রাবতী।
◆ রামায়ণ প্রথম মুদ্রিত হয় – ১৮০২-১৮০৩ সালে।
◆ অাদি মহাকাব্য বলা হয় – রামায়ণকে।
◆ রামায়ণে খন্ড অাছে – ৭ টি।
◆ রামায়ণে শ্লোক অাছে – ২৪০০০।
➺ ভাগবত :
◆ ভগবত বাংলায় প্রথম অনুবাদ করেন – মালাধর বসু।
◆ মালাধর বসুর উপাধি – গুনরাজ খান।
◆ মালাধর বসু অনুদিত ভগবতের নাম –
শ্রীকৃষ্ণবিজয়।
➺ কতিপয় উল্লেখযোগ্য অনুবাদ সাহিত্য অনুবাদক:
◆ রামায়ণ – কৃত্তিবাস ওঝা
◆ মহাভারত – কাশিরাম দাস
◆ ভগবত – মালাধর বসু
◆ হংসদূত – নরসিংহ দাস ও নরোত্তম দাস
◆ বিদ্যাসুন্দর – সাবিরিদ খান
◆ ইউসুফ জুলেখা – শাহ মুহাম্মদ সগীর, অাবদুল
হাকীম, ফকির গরীবুল্লাহ।
◆ লায়লী-মজনু – দৌলত উবির বাহরাম খান।
◆ সায়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল – অালাওল,
দোনাগাজী।
◆ পদ্মাবতী – অালাওল
◆ সপ্তপয়কর – অালাওল
◆ সিকান্দারনামা – অালাওল
◆ তোহফা – অালাওল
◆ গুলে বকাওলী – নওয়াজিস খান, মুহম্মদ মুকীম।
◆ নসিহৎনামা – শেখ পরাণ, অাব্দুল হাকিম, শেখ
সুলাইমান।
◆ নূরনামা – অাব্দুল হাকিম, অাবদুল করিম, মুহম্মদ
শফী।
◆ হাতেম তাই – সৈয়দ হামজা
◆ অামীর হামজা – সৈয়দ হামজা
◆ মধুমালতী – সৈয়দ হামজা
◆ মকতুল হোসেন – ফকির গরীবুল্লাহ।
◆ সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী – দৌলতকাজী ও
অালাওল।

Post a Comment

0 Comments