SkinCeuticals C E Ferulic (1 fl. oz.)

SkinCeuticals C E Ferulic (1 fl. oz.)
SkinCeuticals' C E Ferulic features a synergistic antioxidant combination of ferulic acid and pure vitamin C and E to enhance your skin's protection against environmental damage caused by free radicals. In addition to antioxidant protective benefits, this formula improves signs of aging and photodamage to reduce the appearance of lines and wrinkles while firming and brightening your complexion. Lastly, this powerful formula helps neutralize free radicals induced by UVA/UVB, infrared radiation (IRA) and ozone pollution (O3).

১০ বছর ধরে রেলপথ বন্ধ - সম্পাদকীয় মতামত Editorial News Prothom Alo for BCS and Others Writte


১০ বছর ধরে রেলপথ বন্ধ

পণ্যের দাম কমবেশি হওয়ার প্রধান নিয়ামক ভূমিকা রাখে পরিবহন খরচ। এ খরচ কমলে দাম কমে। আর তা বাড়লে উৎপাদক থেকে খুচরা বিক্রেতা—সবাই দাম বাড়াতে বাধ্য হন। এতে শেষ পর্যন্ত বাড়তি খরচের বোঝা ভোক্তার কাঁধেই পড়ে।

পরিবহন খাতে কিছু চক্র আছে, যারা সাশ্রয়ী পরিবহনব্যবস্থাকে বিকল করে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে এবং নিজেদের আয় বাড়ানো নিশ্চিত করে। সেই ধরনের একটি চক্র দিনাজপুরের পাথরখনি থেকে সারা দেশে পাথর সরবরাহব্যবস্থাকে জটিল করে রেখেছে এবং তাদের কারণেই রেলপথে পাথর সরবরাহ ১০ বছর ধরে বন্ধ আছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। অবস্থা বিবেচনায় নিলে সেই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেওয়া কঠিন হবে।

পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ার পাথরখনি থেকে ভবানীপুর জংশনের মধ্যে রেলপথের দূরত্ব ১৪ কিলোমিটার। আগে মধ্যপাড়া থেকে ভবানীপুর জংশনে ওয়াগনে করে পাথর নেওয়া হতো। ভবানীপুর জংশন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সেই পাথর ওয়াগনেই চলে যেত। এতে পরিবহন খরচ কম পড়ত। কিন্তু ২০১১ সালে মধ্যপাড়া-ভবানীপুর রেলপথের ৭০টি স্লিপার রহস্যজনকভাবে চুরি হওয়ার পর থেকে এ পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে অর্থাৎ ১০ বছর ধরে সড়কপথে ট্রাকে করে পাথর পরিবহন করা হচ্ছে।

রেলপথে পরিবহনে প্রতি টনে খরচ হয় ৬০০ টাকা। সমপরিমাণ পাথর সড়কপথে ট্রাকে পরিবহন করলে খরচ হয় ১ হাজার ১০০ টাকা। অর্থাৎ খরচ হয় প্রায় দ্বিগুণ। পাথর কেনাবেচার অনুমোদিত ডিলাররা বলছেন, ট্রাকে পাথর পরিবহনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাঁরা। ডিলার ও খনি কর্তৃপক্ষ উভয়ই বলছে, পরিবহন খাতের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কারণেই রেলপথটি সংস্কার হচ্ছে না।

যেহেতু সড়কে খরচ বাড়ছে, তাই এর প্রভাব পড়ছে পাথরের ওপর। পাথরের দাম বাড়ছে। নির্মাণকাজেও বাড়ছে খরচ। রেলপথটি সংস্কারের দায় নিয়েও চলছে ঠেলাঠেলি। রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, এই ১৪ কিলোমিটার রেলপথ সংস্কারের খরচ খনি কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে, কারণ পাথর পরিবহন ছাড়া ওই পথে আর কিছু বহন করা হয় না।

রেলওয়ে বলছে, এতে খরচ হবে ৩০ কোটি টাকা। পাশাপাশি পাথর পরিবহনের উপযোগী আরও চার সেট ওয়াগন প্রয়োজন। এত খরচ তারা দিতে পারবে না। এই রশি-টানাটানিতে লাভ হচ্ছে পরিবহন সিন্ডিকেটের। ক্ষতি হচ্ছে দেশের। এ কারণে দ্রুত ওই রেলপথটি সংস্কার করা হোক

 

Post a Comment

0 Comments