SkinCeuticals C E Ferulic (1 fl. oz.)

SkinCeuticals C E Ferulic (1 fl. oz.)
SkinCeuticals' C E Ferulic features a synergistic antioxidant combination of ferulic acid and pure vitamin C and E to enhance your skin's protection against environmental damage caused by free radicals. In addition to antioxidant protective benefits, this formula improves signs of aging and photodamage to reduce the appearance of lines and wrinkles while firming and brightening your complexion. Lastly, this powerful formula helps neutralize free radicals induced by UVA/UVB, infrared radiation (IRA) and ozone pollution (O3).

জলাশয়ে কারাগার ভবন, পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড কেন বন্ধ হচ্ছে না - সম্পাদকীয় মতামত Editorial News Prothom Alo for BCS and Others Written

 

জলাশয়ে কারাগার ভবন, পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড কেন বন্ধ হচ্ছে না



দেশের নগরীগুলোর জলাবদ্ধতার প্রধানতম কারণ হচ্ছে খাল-জলাশয় দখল বা ভরাট হয়ে যাওয়া। এ ব্যাপারে সরকার বারবার নির্দেশনা দিলেও তার কিছুই মানা হচ্ছে না। এমনকি সরকারি সংস্থাগুলোই সব ধরনের আইন ও নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রকৃতিবিধ্বংসী এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ছে। যার সর্বশেষ নমুনা আমরা দেখলাম কুমিল্লা নগরের কালিয়াজুরিতে। সেখানে পাঁচটি ১৪ তলা ভবন নির্মাণ করছে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। বিশাল এক সবুজ জলাশয়ের ভেতরে একের পর এক উঠে গেছে বহুতল ভবন। এখন ভবনগুলোতে পলেস্তারা দেওয়া আর আশপাশে মাটি ভরাটের কাজ চলছে। অথচ এর জন্য কোনো ধরনের অনুমতিই নেওয়া হয়নি। এমন ঘটনায় পরিবেশবাদী ও স্থানীয় সুধীজনেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, গত বছর জলাশয়টির ১১ একর জমির মালিকানা দাবি করে সেখানে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেন জেলা প্রশাসক। এরপর কারাগার কর্তৃপক্ষ সেই জলাশয়ের মালিকানা দাবি করে জেলা জজ আদালতে মামলা করে। জলাশয় নিয়ে জেলা প্রশাসক ও কারাগার কর্তৃপক্ষের এ বিরোধের মধ্যেই ভবন তুলে ফেলা হয়েছে। কারাগারের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের থাকার জন্য ভবনগুলো করা হয়েছে। কারাগার কর্তৃপক্ষের সরল স্বীকারোক্তি, সরকার যেহেতু উন্নয়নকাজের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে, তাই স্থাপনা করতে কারও অনুমোদন নেওয়া হয়নি।

জেলা প্রশাসকের বাংলো লাগোয়া জলাশয়টিতে প্রতি শীত মৌসুমে হাজার হাজার পরিযায়ী পাখি আসে। বিভিন্ন ধরনের গাছগাছালি ও প্রাণীর আবাসস্থলও সেটি। সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণ অবশ্যই জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। এ ছাড়া বর্ষা মৌসুমে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনেও বড় ভূমিকা রাখে এ জলাশয়। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কুমিল্লা জেলা সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর বলেন, ‘সরকারি সংস্থা যদি জলাশয় ভরাট করে স্থাপনা করে, তাহলে আমরা কোথায় যাব? অবিলম্বে এ ধরনের পরিবেশবিধ্বংসী কাজ বন্ধ করা হোক।’

জেলা প্রশাসক বলেন, জলাশয় ভরাট করতে হলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমোদন লাগে। এ ক্ষেত্রে সেটাও করা হয়নি। তার মানে কারাগার কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কেও তোয়াক্কা করছে না। বিষয়টি খুবই হতাশাজনক। এখন সরকারি সংস্থা যদি এভাবে জলাশয় ভরাট করে স্থাপনা গড়ে তোলে, তাহলে সাধারণ মানুষও পুকুর ভরাট করে ভবন নির্মাণে উৎসাহিত হবে। কুমিল্লার পুকুর ও জলাশয়গুলো বাঁচাতে কালিয়াজুরি এলাকার জলাশয়টি দখলমুক্ত করার বিকল্প নেই। প্রয়োজনে কারাগার ভবনের জন্য পৃথক জমির ব্যবস্থা করা হোক। জলাশয়টি উদ্ধারে সরকারের উচ্চপর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।



Post a Comment

0 Comments